প্রিমিয়াম কোয়ালিটি কালোজিরা | Premium Quality Nigella seeds or Black seed
সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও রাসায়নিক উপাদানহীন বিশুদ্ধ পণ্য।
প্রাকৃতিকভাবে সংগৃহীত ও ১০০% প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন।
নির্দিষ্ট ৫০০ গ্রাম ওজন সুনিশ্চিত করা হয়।
ক্রেতার শতভাগ সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
কালোজিরার পুষ্টিগুণ ও বহুমুখী ব্যবহার
নামে ‘জিরা’ যুক্ত থাকলেও স্বাদে, গন্ধে ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ জিরার সাথে এর বেশ তফাত রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এটি ‘নাইজেলা সিড’ (Nigella Seed) নামে পরিচিত। আমাদের রান্নাবান্না, বিশেষ করে পাঁচফোড়ন, ঐতিহ্যবাহী নানান ভর্তা ও মুচমুচে সিঙ্গারার স্বাদ বাড়াতে কালোজিরা অনন্য। রন্ধনশৈলীর পাশাপাশি আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও দেশীয় কবিরাজি চিকিৎসায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।
কালোজিরা ও এর থেকে তৈরি তেল মানবদেহের জন্য দারুণ উপকারী। এতে রয়েছে প্রভূত ফসফরাস, আয়রন ও ফসফেট। এছাড়াও এতে বিটা-ক্যারোটিন বা ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী খাদ্যগুণ ও এসিডিটি নিরাময়কারী উপাদান রয়েছে।
বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় কালোজিরার প্রয়োগবিধি:
১. মাতৃদুগ্ধ বৃদ্ধিতে: পেটের পুরনো আমাশয় বা শরীরের ভেতরের রস শুকিয়ে যাওয়ার কারণে মাতৃদুগ্ধ কমে গেলে এটি উপকারী। সামান্য ভেজে গুঁড়ো করা কালোজিরা (প্রায় ৫০০ মিগ্রা) হালকা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে দিনে দু’বার এক সপ্তাহ খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২. অনিয়মিত ঋতুস্রাব: নারীদের ঋতুস্রাবের নানা সমস্যা দূর করতে ঋতুচক্র শুরুর কয়েক দিন আগে থেকে সমপরিমাণ কালোজিরা সামান্য গরম পানিসহ দিনে দু’বার সেবন করা যেতে পারে। প্রয়োজনভেদে এটি টানা ২-৩ মাস খাওয়া যায়।
৩. বাধক দোষ ও মানসিক অবসাদ: যেসব নারী হরমোনজনিত বা অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় মানসিক ভারসাম্যহীনতা কিংবা প্রজনন স্বাস্থ্যের নানা সমস্যায় ভোগেন, তারা সামান্য ভাজা কালোজিরার গুঁড়ো (৭৫০ মিগ্রা) প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় সেবন করলে উপকার পাবেন।
৪. প্রসবোত্তর যত্ন: সন্তান জন্মদানের পর কালোজিরার নির্যাস বা ক্বাথ সেবন করলে জরায়ুর সংকোচন দ্রুত হয় এবং দুধের সরবরাহ বাড়ে।
৫. ঋতুস্রাব স্বাভাবিক রাখা: পরিমিত মাত্রায় কালোজিরা গ্রহণ ঋতুস্রাবের বাধা দূর করে। (তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত কালোজিরা গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে গর্ভপাতের ঝুঁকি থাকে)।
৬. মাথাব্যথা ও সর্দি: হঠাৎ কাঁচা সর্দি ও তীব্র কপাল ব্যথায় কাপড়ের পুঁটলিতে ডলে রাখা কালোজিরার ঘ্রাণ নিলে কিংবা সিরকায় ভিজিয়ে শুঁকলে দ্রুত আরাম মেলে।
৭. কফে কপাল ভারী হওয়া: কফ জমে মাথা বা কপালে যন্ত্রণা হলে কালোজিরা বাটা কপালে প্রলেপ দিলে কিংবা মিহি গুঁড়ো দিয়ে নস্যি নিলে উপশম হয়।
৮. তাৎক্ষণিক সর্দি-কাশি: নতুন সর্দির ক্ষেত্রেও কালোজিরার নস্যি খুব কার্যকর।
৯. চুলকানি ও চর্মরোগ: খাঁটি সরিষার তেলে কালোজিরা ভেজে, তা ছেঁকে নিয়ে শরীরে মালিশ করলে চুলকানির সমস্যা কমে।
১০. বিষাক্ত পোকার কামড়: বিছে বা বিষাক্ত পোকার কামড়ে সাথে সাথে কালোজিরা বাটা প্রলেপ দিলে বিষ ও জ্বালা-যন্ত্রণা দ্রুত উপশম হয়।
১১. গলা ও গ্ল্যান্ড ফোলা: ঠাণ্ডাজনিত কারণে গলা বা গ্ল্যান্ড ফুলে গেলে চাল পোড়া, কালোজিরা ও মুসাব্বর একসাথে বেটে প্রলেপ দিলে একদিনের মধ্যে ফোলাভাব ও ব্যথা দূর হয়।
১২. শরীরের ফোলাভাব বা শোথ: শরীরে পানি জমে হাত-পা ফুলে গেলে জল দিয়ে পেস্ট করা কালোজিরা বাটা লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
১৩. দাঁতের যন্ত্রণা: ইষদুষ্ণ পানিতে কালোজিরা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলি বা গার্গল করলে দাঁতের ব্যথা কমে।
১৪. দাদ রোগ: দাদ বা এ জাতীয় চর্মরোগে কালোজিরা বাটার প্রলেপ কিংবা কালোজিরা ভাজা তেল মাখলে দ্রুত সুফল মেলে।
১৫. শ্বেতী বা ধবল: ধবল বা শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রেও আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত কালোজিরা বাটা বা কালোজিরার তেল ব্যবহার উপকারী।
১৬. চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল: নিয়মিত মাথায় কালোজিরা বাটা বা তেলের মালিশ নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
১৭. ত্বকের উজ্জ্বলতা: সামান্য ঘিয়ের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে চেহারার দ্যুতি ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
১৮. সহজ প্রসব: সন্তান প্রসবের সময় কালোজিরা সেদ্ধ পানি সেবন করালে প্রসব প্রক্রিয়া কিছুটা সহজতর হয়।
১৯. কৃমি বিনাশ: ভিনেগারে কালোজিরা ভিজিয়ে রেখে খেলে পেটের কৃমি নষ্ট হয়।
২০. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি: দুর্বল স্মৃতিশক্তি ও ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ৩ গ্রাম কালোজিরা সমপরিমাণ বিশুদ্ধ মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
২১. জন্ডিস, পিঠ ও বুকের ব্যথা: জন্ডিস, প্লীহা বৃদ্ধি, তীব্র পেটের ব্যথা ও বমি বমি ভাব কাটাতে কালোজিরা বাটা খাওয়া এবং বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করা উভয়ই উপকারী।
২২. মূত্রকৃচ্ছ্রতা বা মূত্রের বাধা: পরিমিত পরিমাণে কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয় এবং মূত্রনালীর বাধা কেটে যায়।
উপরের উপকারিতা ছাড়াও আরও উপকারিতা রয়েছে কালোজিরার। মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের মহৌষধ হচ্ছে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীর থেকে সবরকম দূষিত পদার্থ বের হয়ে যেতে বাধ্য হয়।




Reviews
There are no reviews yet.